বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
Logo
বেনাপোলে ভ্রমণকর বাবদ সরকারের রাজস্ব কমেছে ৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা

বেনাপোলে ভ্রমণকর বাবদ সরকারের রাজস্ব কমেছে ৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী যাতায়াতে শর্ত আরোপ করায় ভ্রমণকর বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় কমেছে ৫১ কোটি ৫৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫০ টাকা। গত বছর ভারতে যাতায়াত করেছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৫০০ জন দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট যাত্রী।


যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণকর বাবদ গত বছর সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। ২০১৯ সালে এই পথে ভারতে যাতায়াত করে ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৯০০ জন যাত্রী।


ভ্রমণকর বাবদ তাদের কাছ থেকে ৬৮ কোটি ১৩ লাখ ২৫ হাজার ৭৫০ টাকা রাজস্ব আদায় করে সরকার। করোনাসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে যাত্রী যাতায়াত কমেছে ৯ লাখ ৫১ হাজার ৪০০ জন।


ভ্রমণকর আদায়কারি বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার আকতার ফারুক জানান, ১৯৭২ সাল থেকে বৈধভাবে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে শুরু হয় যাত্রী যাতায়াত। বেনাপোল থেকে কলকাতা শহরের দূরত্ব মাত্র ৮৪ কিলোমিটার।


বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে রওনা দিয়ে ট্রেনে মাত্র ২ ঘন্টা ও বাসে তিন ঘণ্টায় পৌঁছানো যায় কলকাতা শহরে। যোগাযোগ ব্যাবস্থা সহজ হওয়ায় প্রথম থেকে এ পথে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকেন।


বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতগামী যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর আদায় করেন সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। যাত্রী প্রতি ৫০০ টাকা ও বন্দরের ৪৮ টাকা ভ্রমণকর নেওয়া হয়। কিন্তু গেল বছর করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারত সরকার ১৩ মার্চ থেকে বেনাপোল বন্দরের স্থল ,বিমান ও রেলপথে পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।


ফলে যাত্রী যাতায়াত যেমন আশঙ্কাজনক হারে কমে আসে তেমনি ভ্রমণ খাতে সরকারের আয়ও কমে যায়। চার মাস পর শর্ত সাপেক্ষে গত ১৫ আগস্ট থেকে কূটনীতিক, অফিশিয়াল, আšতর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন প্রকল্পের ভিসাধারীদের যাতায়াতে সুযোগ হয়। পরবর্তীতে বিজনেস ভিসা চালু করলেও এখনও পর্যšত বন্ধ রয়েছে ট্যুরিস্ট ভিসা।


বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, করোনার কারণে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে পাসপোর্ট যাত্রীপারাপার কমে গেছে। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ও কমে গেছে। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরলে রাজস্ব আয় আরোও বৃদ্ধি পাবে।

সংযুক্ত থাকুন