রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
Logo
পতাকা উত্তোলন-শ্রদ্ধাঞ্জলি-র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপিত

পতাকা উত্তোলন-শ্রদ্ধাঞ্জলি-র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপিত

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর নির্মম নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছিল অভয়নগর উপজেলার মানুষ। উড়েছিল স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজের পতাকা।

 


স্বাধীনতার পর থেকে প্রতি বছর অভয়নগর মুক্ত দিবস ব্যাপক আয়োজনে উদযাপিত হলেও এবার করোনা প্রভাবের কারণে স্বল্প পরিসরে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে।

 

বুধবার দিবসের শুরুতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে মুক্তিযোদ্ধা কামান্ড, উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসন এবং অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপন সংসদ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে।

 

পরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপন সংসদের পক্ষ থেকে নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

 

এরপর একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি যশোর-খুলনা মহাসড়কের নওয়াপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে ইনস্টিটিউট মাঠে এসে শেষ হয়। বেলা ১২ টায় অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপন সংসদের আয়োজনে নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

অভয়নগর মুক্ত দিবস উদযাপন সংসদের আহবায়ক ও অভয়নগর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি সাবক পৌর মেয়র আলহাজ্ব এনামুল হক বাবুলের সভাপতিত্ব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর।

 

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন, অভয়নগর থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক আলী আহম্মদ খান।

 

উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি সানা আব্দুল মান্নানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা অধির কুমার পাঁড়ে, পীর মুহাম্মদ, নওয়াপাড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রবিউল হাসান, নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউটের সভাপতি শিবু প্রসাদ সাহা, নওয়াপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি গাজী নজরুল ইসলাম, শিক্ষক নূরুজ্জামান, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মোল্যার মেয়ে সহকারী অধ্যাপক শামিনা জাহান লিসা প্রমুখ।

 

উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া পৌর আ’লীগের সভাপতি হাজী রফিকুল ইসলাম সরদার, শ্রমিকনেতা ইব্রাহিম হোসেন বিশ্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান তারু, অধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম খান, খায়রুল বাসার, আব্দুল লতিফ সহ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমা-ের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজনেরা।

সংযুক্ত থাকুন