বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
Logo
নওয়াপাড়ায় আলমগীর হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে পিবিআই ও ডিবি

নওয়াপাড়ায় আলমগীর হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে পিবিআই ও ডিবি

নওয়াপাড়ায় তৃতীয় লিঙ্গের আলমগীর হাওলাদার খুনের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যাকা-ের ২৪ ঘন্টা পার হলের সন্দেহভাজন কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। উদঘাটন করতে পারেনি হত্যা রহস্য।


নিহতের বাড়ি চলছে শোকের মাতম। ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে আলমগীর হত্যা রহস্য উদঘাটনে থানা পুলিশের পাশাপাশি যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শুরু করেছে।


ইতিমধ্যে পুলিশের হাতে হত্যাকান্ডের ব্যাপারে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে বলে দাবি করা হলেও তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করতে চাননি। বুধবার সকালে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধোপাদী গ্রামের উত্তরপাড়ার কবিরাজ বাগান থেকে হাত-পা বাঁধা ও গলায় ফাঁস দেয়া বিবস্ত্র অবস্থায় তৃতীয় লিঙ্গের আলমগীর হাওলাদারের (৪০) লাশ উদ্ধার করে অভয়নগর থানা পুলিশ।


এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহতের মা আমেনা খাতুন বাদি হয়ে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে অভয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৭।


এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভয়নগর থানার এসআই গৌতম কুমার জানান, মামলা দায়েরর পর থেকে আসামি আটকের অভিযান অব্যাহত আছে। তবে এখনও কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। হত্যা রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহতের বাড়ি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বৌবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তাঁর বৃদ্ধ মা ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বিলাপ করছে। পাশে বসা নিহতের চারভাই আলমগীরের হত্যাকারিদের ফাঁসি দাবি করে চিৎকার করছে।


আলমগীরের সহযোগি তৃতীয় লিঙ্গের কয়েকজনকে আটকে পুলিশি অভিযান জোরালো করার আহবান করছেন। সাংবাদিক দেখে নিহতের বৃদ্ধ মা বলেন, আমার ছেলে আলমগীর ধোপাদী গ্রামের ইয়াছিন নামে এক যুবকের সাথে চলাচল করত।


আমার ছেলের লাশ পাওয়া গেছে তারই বাড়ির পাশের একটি বাগানে। তাকে আটক করে জিঞ্জাসাবাদ করলে খুনের রহস্য পুলিশ জানতে পারবে। তাঁর ছেলে রঙ মিস্ত্রির কাজ করত।

সংযুক্ত থাকুন