রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
Logo
ঝিনাইদহে আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত চাষীরা

ঝিনাইদহে আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত চাষীরা

ভালো দাম আর উৎপাদনের আশায় আগাম পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন ঝিনাইদহে পেঁয়াজচাষীরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার আগাম পেঁয়াজের ভালো ফলন আশা করছেন তারা।

 

উৎপাদন ভালো হলে লাভের মুখ দেখবেন তারা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে এ বছর জেলার ৬ উপজেলায় পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে।

 

উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ২’শ ৭৬ মেট্টিট টন। ইতিমধ্যে জেলার শৈলকুপা, সদর, মহেশপুর, হরিণাকুন্ডু, কালীগঞ্জ ও কোটচাঁদপুর উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম পেঁয়াজ আবাদ করা হয়েছে।

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উত্তর মির্জাপুর গ্রামের চাষী মতলেব শেখ জানান, তিনি এ বছর মোট ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করবেন। আগাম পেঁয়াজের আবাদ করছেন ২৫ শতক জমিতে। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি।

 

একই গ্রামের কৃষক রুহুল শেখ জানান, তিনি ১ বিঘা জমিতে আগাম পেঁয়াজ আবাদ করছেন। আগে পেঁয়াজ লাগানোর কারণে সার ও পরিচর্যা বেশি করতে হয়। তারপরও দাম ভালো পেলে সেই খরচ পুষিয়ে যাবে।

 

সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কৃষক শরিফ মোল্লা বলেন, গত বছর ২ বিঘা জমিতে আগাম পেঁয়াজ লাগিয়েছিলাম। দাম ভালো পেয়েছিলাম বলে এবার আরও এক বিঘা জমিতে আবাদ করছি। এদিকে পেঁয়াজের বীজের কারণে উৎপাদন খরচ বেশি হবে বলে জানিয়েছেন কৃষক।

 

সদর উপজেলার নগরবাথান গ্রামের কৃষক হযরত আলী বলেন, গত বছর এক কেজি পেঁয়াজের বীজ ১ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। সেই বীজ এ বছর ৫ হাজার টাকায় কিনতে হয়েছে। সারের দামও বেশি। যে কারণে এবার উৎপাদন খরচ বেশি হবে।

 

দাম এখন যে পর্যায়ে রয়েছে তা চলমান থাকলে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তিনি। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, পেঁয়াজের ফলন ভালো পেতে বিভিন্ন উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সকল প্রকার প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করা হচ্ছে।

সংযুক্ত থাকুন