মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
Logo
কঠোর লকডাউনের খবরে নওয়াপাড়া বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে ক্রেতারা

কঠোর লকডাউনের খবরে নওয়াপাড়া বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে ক্রেতারা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার-ঘোষিত সাত দিনের কঠোর লকডাউনের খবরে নওয়াপাড়া বাজারে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে দেশজুড়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে নানা প্রচারণা সত্ত্বেও মানছেন না সাধারণ মানুষ।


একে অপরের সাথে ধাক্কাধাক্কি ও শরীর ঘেষা-ঘেষি করে ক্রয় করছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী। সোমাবার সকালে নওয়াপাড়া কাঁচাবাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজারের প্রবেশমুখে নেই কোন সুরক্ষা টানেল, নেই তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা।


ক্রেতা-বিক্রেতার মাস্ক বাধ্যতামূলক হলেও নেই ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে মাস্ক, করো মাস্ক থাকলেও সেটা ঝুলছে মানুষের গলায়। অবশ্যই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা থাকলেও একদমই মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব।


স্বাস্থ্যবিধির কোন বালায় নেই বললেই চলে। এ ব্যাপারে একাধিক ক্রেতা সাধারণ জানান, আর একদিন পর মাহে রমজান এর সাথে যুক্ত হয়েছে সরকার কর্তৃক ঘোষিত কঠোর লকডাউন।


এ কারনেই উপচেপড়া ভিড়। তবে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এ রকম ভিড় প্রতিদিনই থাকে। নওয়াপাড়া কাচাঁবাজার, মাছবাজার ও মাংসের বাজার একই স্থানে হওয়াতে প্রতিদিনই এরকম ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এতে ভাইরাসের সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অথচ সংক্রমণ প্রতিরোধে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।


কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নওয়াপাড়া কাঁচাবাজার খোলা জায়গায় স্থানান্তর করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করতে পারলে সংক্রমণ বহুলাংশে কমে যেতো বলে সচেতন মহল মনে করছেন। সচেতন মহল দ্রুত নওয়াপাড়া কাঁচাবাজার খোলা জায়গায় স্থানান্তর করে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংযুক্ত থাকুন