মানুয়ার নির্দেশে খুন হয় যশোর যুবদল নেতা ধোনি

0
42

নওয়াপাড়া ডেস্ক

যশোর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বদিউজ্জামান ধোনিকে নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শামীম আহমেদ মানুয়ার নির্দেশেই হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। মূলত বিএনপির রাজনীতির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে আসামী আল-আমিন কে গ্রেফতার করেন যশোরের র‌্যাব সদস্যরা। অন্যদিকে এক নম্বর আসামি শহরের রেলরোড এলাকার ফরিদ মুন্সির ছেলে ২৫ বছরের রায়হান ও শংকরপুর এলাকার বাবু মীরের ছেলে ২০ বছরের ইছা মীরকে আটক করে পুলিশ। এসময় হত্যায় ব্যবহৃত গাছি দা, চাইনিজ কুড়াল ও বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব ৬ যশোরের স্কোয়াড কমান্ডার এ এসপি শফিকুর রহমান ও পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার বৃহস্পতিবার পৃথক সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ সুপার বলেন, ‘স্থানীয় বিএনপি নেতা শামীম আহম্মেদ মানুয়া ও বদিউজ্জামান ধনির মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব ছিল। ওই দ্বন্দ্বের জেরে মানুয়ার মেয়ের জামাই ইয়াসিন হত্যা মামলায় ধনিকে আসামি করা হয়।

‘সর্বোপরি এলাকায় দলীয় কোন্দল আর রাজনীতির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে ধনিকে হত্যা করা হয়। মানুয়ার নির্দেশে তার ভাগ্নে রায়হান হত্যা করে।’

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়া আকবরের মোড়ে নিজ বাসভবনের সামনে যুবদলের সহসভাপতি বদিউজ্জামান ধ্বনিকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্ত্বরা।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান বাড়ির সামনে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এ সময় অতর্কিত হামলা চালায়ি দুর্বৃত্ত্বরা তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এই ঘটনায় বুধবার রাতে পৌর বিএনপির নেতাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন নিহতের ভাই মনিরুজ্জামান মণি

Comment using Facebook