ফকিরহাটে তীব্র শীতের প্রকোপে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর ভিড়

0
98

মোঃ মোজাহিদুর রহমান, ফকিরহাট (বাগেরহাট)

বাগেরহাটের ফকিরহাটে তীব্র শীতে স্বাভাবিক জীবন বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষজন। মৃদু শৈত্য প্রবাহে দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

ঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্য প্রবাহে শীত বেড়ে গেছে ফকিরহাট অঞ্চলে। বৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন পরিবারের লোকজন। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।

সর্দি, জ্বর, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যায় বেশি। ভর্তি রয়েছে অনেক শিশু রোগী। এদিকে, ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন মেঘের সাথে যোগ হয়েছে হিমেল বাতাস। বিকেল থেকে পর জরুরী কাজ ছাড়া ঘর ছেড়ে বের হচ্ছেনা সাধারন মানুষ। ঘন কুয়াশার ফলে দুরপাল্লার যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে বিভিন্ন গাড়ীর চালক জানান।

এছাড়া শীত যতই বাড়ছে শীতের কাপড়ের মুল্য ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে চড়া দাম দিয়ে অনেকেই শীত কাপড় ক্রয় থেকে বিরত থাকছেন। তীব্র এই শীতে রাস্তা-ঘাটে লোকসংখ্যা কমে গেছে। অধিক শীতে হাস-মুরগি ও গরু-ছাগলকে শীতের কাপুনি থেকে রক্ষা করা যাচ্ছেনা। অনেক বাড়ীতে মুরগির শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সকালের দিকে কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় অধিকাংশ যানবাহন গুলোতে হেডলাইট জালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এরকম অবস্থা বা এর চেয়ে অধিক শীত হলে সাধারন মানুষদের কাজ-কর্ম ও চলাচলে চরম ব্যঘাত সৃষ্টি হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসিমকুমার সমাদ্দার বলেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে শীতজনিত রোগের প্রাদর্ভাব আরও বাড়ার আশংকা রয়েছে।

Comment using Facebook