অভয়নগরে আশা ভাটায় তৈরি হচ্ছে গ্রীন নামের ইট: প্রতারনার মাধ্যমে দখলের অভিযোগে মামলা

0
80

স্টাফ রিপোর্টার

অভয়নগর উপজেলার ৬নং বাঘুুটিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গাড়ি অবস্থিত আশা ব্রিকস্ প্রতারনার সাধ্যমে আঃ কাদের বাবুর নেতৃত্বে স্থানীয় মিজান ও আরাফাত দখলে নিয়েছে বলে অভিযোগ।

মালিক নুর ইসলাম দু-বছর ধরে ভাটা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ৩ জন কে আসামী করে যশোরের অভয়নগর জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রিট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং সি আর- ২১৯/২২ তারিখ ১৩/০৪/২২ ধারা ৪০৬,৪২০,৫০৬(২)১১৪ মামলা সূত্রে জানাগেছে, নওয়াপাড়ার বউ বাজারের নুরইলাম অভয়নগর উপজেলার সিঙ্গাড়ী প্রায় ১৪ বিঘা জমি লিজ নিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে গড়ে তোলে আশা ব্রিকস্ নামে একটি ইটভাটা। ভাটা চালাতে টাকার সমস্যা হলে গাজীপুরের মরহুম মেসের কাজীর ছেলে আঃ কাদের বাবু বর্ণিত ইট ভাটাটি ৭ বছর মেয়াদে লিজ নিয়ে ইট উৎপাদন শুরু করে। শর্তে উল্লেখ থাকে যে প্রর্থম বছর চার লাখ টাকা এবং পরবর্তী ৬ বৎসর বার্ষিক ৫ লাখ টাকা হারে নুর ইসলামকে প্রদান করিবে। উক্ত চুক্তিপত্র টির কার্যক্রম শুরু হয় ০২/১০/২০১৬ ইং তারিখে। মামলা সূত্রে আরো জানা যায়, আঃ কাদের বাবু তার ইটভাটা দেখাশোনার জন্য সিংগাড়ী গ্রামের মিজানুর ও মরিচা গ্রামের আরাফাতকে নিয়োগ করলে তারা ভাটা দেখাশোনা করতে থাকে। আঃ কাদের বাবু ৪ বৎসর ভাটা পরিচালনা করে ০২/০৭/২০২০ ইং তারিখে ৩শ’ টাকার নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে ৮ প্রকার ইট তৈরীর জিনিসপত্র যার মূল্য ২৪ লাখ টাকা নুর ইসলামকে ফেরত প্রদান করে। এবিষয়ে ভাটার মালিক নুর ইসলাম জানালেন বাবু ভাটার কাগজপত্রে ফেরত দেয়ার পূর্বে মিজান ও আরাফাতকে ২০১৭ সালে গোপনে একটি চুক্তিপত্র করে মালিকানা দিয়ে দেয়, যার কারনে বাবুর প্রতারনা ২০২০ সালে প্রকাশ্যে আসে। সরেজমিনে ইট ভাটায় গিয়ে দেখা যায় কোন প্রকার মালিক পক্ষের অনুমতি ছাড়া আশা ব্রিকসে গ্রীন ইট উৎপাদন করে বর্তমান দখলে থাকা মিজানুর ও আরাফাত বাজার জাত করছে। এদিকে প্রতারনা করে আশাভাটা দখলে নেয়ার অভিযোগে মালিক পক্ষের করা মামলা বিজ্ঞ আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে তদন্ত প্রদান করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

Comment using Facebook