অবৈধভাবে ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ

0
40

কচুয়া (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

প্রশাসনের নজর দারির অভাবে, দীর্ঘদিন কচুয়ায় অবৈধ ইট ভাটায় অবাধে কাঠদিয়ে পোড়ানো হচ্ছে ইট। একটি প্রভাবশালী মহল সমিতির নামে বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিদের ম্যানেজ করে উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে কয়েকটি ইট ভাটা চালাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

উপজেলার ৫টি ইট ভাটার কোনোটিরই জেলা প্রশাসনের অনুমতি সনদ (লাইসেন্স) নেই। পরিবেশে অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বা লাইসেন্সের তোয়াক্কা না করে ভাষা ও ছিটাবাড়ি গ্রামের কৃষি জমি, ফলজ ও বনজ বাগান এলাকায় চিমনি ছাড়াই এমকেএম, ভিআইপি, পিএটি, কেএলওয়াই নামে ভাটাগুলোতে ইট পোড়ানো হচ্ছে। এসব ভাটার মালিকরা হলেন, ভাষা গ্রামের ছলেমান শেখের পুত্র করিম শেখ (এমকেএম), অদুত শেখের পুত্র রফিকুল ইসলাম (ভিআইপি), ছিটাবাড়ি গ্রামের রশিদ মল্লিকের পুত্র সেলিম মল্লিক (কেএলওয়াই), মোতালেব শেখের পুত্র বাবুল শেখ (পিএটি)। ইট তৈরির জন্য ভাটা স্থাপন সংক্রান্ত একটি আইন দেশে কার্যকর রয়েছে। আইনটির নাম ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন‘। সেই আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া ইট তৈরি করার সুযোগ নেই। লাইসেন্স ছাড়া কেউ ইটভাটা চালু করলে শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন কার্যকর করা বা জারি রাখা যাদের দায়িত্ব, তারাই চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন বলেন, ইট ভাটার মালিকদের ইট পোড়ানোর জন্য নিষেধ করেছি, তারা মানছে না। তারপর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। উপজেলার ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এভাবে ইট পোড়াই আমাদের সবাই সাহায্য করছে। এছাড়া বাগেরহাটের গোটাপাড়া গ্রামে একই ভাবেই ইট পোড়ায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জীনাত মহল বলেন, আমি যতদুর জানি কোন ইট ভাটা চলে না। আপনারা কোথায় কি পেলেন জানি না। খোজ খবর নিয়ে দেখি। যদি কেহ ইট ভাটা চালায় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comment using Facebook