ফুলতলায় ইভটিজিংয়ে বাঁধা প্রদান করায় খুন হয় কলেজছাত্র আলিফ

0
35

বিশেষ প্রতিনিধি, ফুলতলা

ফুলতলা এম এম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৈয়দ আলিফ রোহান হত্যাকান্ডের মামলা সিআইডি’র নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, কিলিং মিশনে অংশ নেয় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য। মুলতঃ ইভটিজিং এ বাঁধা প্রদান করায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তাকে হত্যা করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী দীপ্ত সাহা’র জবানবন্দীতে উঠে এসেছে এসব তথ্য। গোয়েন্দা সংস্থা এই গ্যাংটি সম্পর্কে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় পুলিশ প্রধানের কাছে প্রতিবেদন দেয়। বলা হয় এই গ্যাংটির কাছে রয়েছে আধুনিক অস্ত্র, রয়েছে মাদক মামলাসহ নানা অভিযোগ।

এ হত্যাকান্ডের পর থেকে তার নিবিড় তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, হত্যার আগের দিন রাতে তৈরি করা হয় খুনের মুল ছক। সেই অনুসারে গত ৩১ মার্চ সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে রোহানের গতিবিধি লক্ষ্য করে তাসিন মোড়ল, সাব্বির ফারাজী ও দীপ্ত সাহা। অপরিচিত মুখ দেখে সন্দেহ হলে কলেজে কর্তব্যরত ভ্রাম্যমাণ টিমের সদস্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সানজিদা আক্তার তাদের বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞাসা করে কলেজ ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বলে। এর মধ্যে তাদের সাথে কিলিং মিশিনে যোগ দেয় শান্ত গাজী ও শেখ আবু হাসনাত। পরে, ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় তাকে। পুরো ঘটনাটি আইন শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট খোলসা হয় দীপ্ত সাহাকে গ্রেফতারের পরে।

এজাহারভুক্ত আসামী তাসিন মোড়ল বাজারের তাজপুর এলাকার জাহাঙ্গীর মোড়লে’র, সাব্বির ফারাজী একই গ্রামের সালাম ফারাজী’র, দীপ্ত সাহা দামোদর গ্রামের দীপক সাহা’র, শান্ত গাজী তাজপুর গ্রামের সাকি গাজী’র ও শেখ আবু হাসনাত ফুলতলা বাজারের ব্যবসায়ী শেখ আবু দাউদ এর পুত্র।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ইতিমধ্যে হত্যাকন্ডের তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অতি দ্রুত বাকী আসামীদের গ্রেফতার করাসহ কিশোর গ্যাং নির্মূলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Comment using Facebook