আমি ভূমিহীন বিধবা ৪ সন্তানের জননী: আমারে এ্যাডডা ঘর কইরা দেন “বাজান”

0
106

সরদার রইচ উদ্দিন টিপু, নড়াইল

লড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়ানের চাকশী নওখোলা গ্রামের অসহায়, ভুমিহীন, বিধবা রত্না বেগম তার ৪ মেয়ে ও অন্ধ শাশুড়িকে নিয়ে জরাজীর্ন, বসবাসের অনুপযোগী ঘরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিধবার এমন আকুতিতে সরকারী কর্মকর্তা কিংবা কোন জনপ্রতিনিধির মন না গললেও একটি এনজিও সংস্থা এগিয়ে এসেছে। দূর্বার ফাউন্ডেশনএই ঘটনা জানতে পেরে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লাবু মিয়া, ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মোঃ মাসুদুর রহমান, ইউপি সদস্য রাজা মিয়া দুলাল, প্রমুখ। এ সময় দূর্বার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান একটি বাসযোগ্য টিনের ঘর করে দেওয়ার আশ্বাস দেন, সেই সঙ্গে চেয়ারম্যান লাবু মিয়া ঔই পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার অঙ্গিকার করেন। সচিব মাসুদুর রহমান বুলু অসহায়দের মাঝে ৪টি কম্বল প্রদান করেন। ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া বাচ্চাদের লেখা পড়ার সকল খরচ বহন করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এসময় এলাকার অনেক গন্যমান্য ব্যাক্তি উপস্থিত ছিলেন। ভুক্তভোগী বিধবা রত্না বেগমের সাথে সাংবাদিকদের কথা হলে তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, স্যার আমার এ্যাডডা থাহার মত গর (বাড়ি) কইরে দেন। আমি এই এতিম নিয়ে কোহানে যাবো। আল্লা আমার মরন দ্যাই না ক্যান।

Comment using Facebook