বটিয়াঘাটার ভদ্রা নদীতে আবারও নদী ভাঙ্গন, বিলীন হচ্ছে রাস্তাঘাট

0
35

আল-আমিন গোলদার, বটিয়াঘাটা

আবারও দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন। বটিয়াঘাটা উপজেলার বারোআড়িয়া বিশ্বাস বাড়ি নামকস্থানে হঠাৎ করে নতুন করে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গ্রামটির পাশেই অবস্থিত ভদ্রা নদী।

ইতোপৃর্বে শতাধিক কাচা পাকা বাড়িঘর, পুকুর লীজঘের, জমি যায়গাসহ মুল্যবান সম্পাদ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। গতকাল রাতে হঠাৎ করেই বারোআড়িয়া দিপংকর বিশ্বাস এর বাড়ির সামনে বেশকিছু যায়গা জুড়ে রাস্তা ভেঙ্গে পড়ে। এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে চলছে কোটি টাকার জিও ব্যাগের কাজ।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) যৌথ ভাবে দীর্ঘ ২/৩ বছর ধরে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ করে আসছে।

এলাকাবাসির অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জিও ব্যাগের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না। কোম্পানি তাদের ইচ্ছামতো কাজ করে চলেছে। দূর্নীতিবাজ টিকাদার সিডিউল মোতাবেক যথা সময় কাজটি করছেনা। যার ফলে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে নদী ভাঙ্গন এলাকায় নদী থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও থেমে নেই বালু সিন্ডিকেট চক্র।

বটিয়াঘাটা ও পাইকগাছা থানা প্রশাসনকে মাসিক টাকার বিনিময়ে রাতদিন নদী থেকে বালু উত্তোলন করে চলেছে। পাইকগাছা সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন সহ নবন পানী চক্রের বিরুদ্ধে হুশিয়ারি করেন।

তিনি তাদের উদ্দেশ্য বলেন, এই চক্রদের কোন ভাবে ছাড় দেয়া হবেনা। অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালু উত্তোলনের বিষয় তেমন কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা। যার ফলে এই বালু সিন্ডিকেট চক্র নির্বিঘে করে উত্তোলন করে চলেছে। যার ফলে নতুন করে বাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বারোআড়িয়া শহীদ স্বরনী মহাবিদ্যায়ের অধ্যক্ষ তোরাব আলী শেখ ফিরোজ ও বারোআড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সিদ্ধার্থ মল্লিক বলেন, নদী ভাঙ্গন যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অচিরেই ভদ্রা নদী গর্ভে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সুরখালী পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ শেখ জাহিদুর রহমান বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা নদী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙ্গন।

Comment using Facebook