বসুন্দিয়ায় হাত বাড়ালেই মাদক, নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ

0
160

আবু তাহের, বসুন্দিয়া (যশোর)

মাদক নির্মূলে স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের নিরব ভূমিকার কারণে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মাদকের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাদক কারবারীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত পরশু রাতে বসুন্দিয়া’র গাইদগাছি গ্রামের চিহ্নিত মাদক কারবারী ছিন্টু খান (নাজিম) কে গণধোলায় দিয়েছে স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ছিন্টু খান ও তার স্ত্রী জেসমিন কয়েক বছর যাবত মাদকের কারবার করে আসছে। নিজ গ্রাম গাইদগাছি ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী খোলাডাঙ্গা, জয়ান্তা, জঙ্গলবাঁধাল, বানিয়ারগাতী, বসুন্দিয়া মোড় এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট করে বেপরোয়াভাবে তরুন ও যুবসমাজকে ধ্বংস করে চলেছে।

এছাড়াও জগন্নাথপুরের পরিত্যাক্ত জমিদার বাড়ি, প্রৌড় বটতলার পার্শ্ববর্তী নার্সারী, বসুন্দিয়া’র বিনিময় পাড়া, নদীর চর, খানপাড়াস্থ্য চোরপাড়া, কেফায়েতনগরের বাওড়, মাঠপাড়া, ফারাজী পাড়ার বাওড় এলাকা, বসুন্দিয়া মোড়স্থ্য নদীর চর, জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের শ্মশান সংলগ্ন ৩টি স্থান, খালঘাট, সিঙ্গিয়া রেলওয়ে স্টেশন, গাইদগাছি ও বানিয়ারগাতী গ্রামের ৩টি, জয়ান্তা গ্রামের ২টি, ঘুনি গ্রামের দৌস পুকুরসহ ৩টি, পদ্মবিলা গ্রামের রেললাইনসহ ২টি স্থানে গাজা ও তাড়ি সেবনের নিরাপদ আখড়া হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে মাদক নির্মূলে স্থানীয় পুলিশ বাহিনীসহ প্রশাসনিক দপ্তরে একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু প্রশাসনিক কোন ইতিবাচক সাড়া না থাকায় মাদক কারবারীরা নির্বিঘেœ তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে এলাকায় দিনদিন মাদকসেবীদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপকর্মের সংখ্যা বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। কিশোর ও যুবসমাজ মরণনেশা মাদকের ছোবলে ক্রমেই ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অভিভাবক মহল তাদের সন্তানদের নিয়ে রয়েছেন শংকিত।

এব্যাপারে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস.আই জাকির হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাদক কারবারীদের প্রতিহত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই আমরা একাধিক মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছি। বাকীদের মাদকসহ হাতেনাতে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।

Comment using Facebook