যশোর অঞ্চলে নতুন রেলপথের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে

0
233

মাসুদ পারভেজ, রূপদিয়া (যশোর)

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-যশোর রেলপথ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে ভাগ্য খুলতে শুরু করেছে যশোর অঞ্চলের মানুষের।

বদলে যাবে এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে বদলে যাবে রূপদিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন চিত্র। এতে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বাড়বে মাথাপিছু আয়।

পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন ও ১৪টি নতুন স্টেশন নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এর আওতায় নতুন করে নির্মাণ হচ্ছে রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশন। প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশন ভবনটি ইতিমধ্যে ভেঙে ফেলেছে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা এবং যশোরের সঙ্গে রেলওয়ে সংযোগ স্থাপনের নির্মাণ কাজ একই সঙ্গে শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে মোট ১৭টি রেলওয়ে স্টেশন পার করে পদ্মবিলা জংশন হয়ে রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌছাবে পণ্য ও যাত্রীবাহী ট্রেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা-যশোর রেলপথ চালু হলে মাত্র ২ ঘন্টা ১৫ মিনিটে রূপদিয়া থেকে ঢাকা যাওয়া যাবে। রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশনে কম্পিউটার বেজড সিগন্যালিং ব্যবস্থা রাখা হবে। পণ্যবাহী ট্রেনগুলো রূপদিয়া রেলওয়ে স্টেশনে এসে আনলোড হবে। যশোরের রূপদিয়া থেকে জামদিয়া, নড়াইল, লোহাগড়া, কাশিয়ানী, মহেশপুর, মুকসুদপুর, নগরকান্দা, ভাঙা, শিবচর, জাজিরা, মাওয়া, শ্রীনগর, নিমতলি, কেরানীগঞ্জ, গেন্ডারিয়া, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনসহ খুলনাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। যে কোন ভারী পণ্য আমদানি ও রপ্তানির সুযোগ কাজে লাগিয়ে নতুন আয়ের উৎস পাবে রূপদিয়াবাসী।

এ অঞ্চলে উৎপাদিত সকল কৃষি ও শিল্পপণ্য পরিবহন, বিপণন সহজ হবে ফলে আঞ্চলিক বাণিজ্য সমৃদ্ধ হবে, সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে।

উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় নতুন কলকারখানা চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে পাশাপাশি স্থানীয় জনগনের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়াও স্থানীয় জনগন উন্নততর স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষনের জন্য খুব সহজেই রাজধানী ঢাকা যেতে পারবেন। এ অঞ্চলের গার্মেন্টস ও প্রসাধনী ব্যবসায়ীরা কমমূল্যে এসব পন্যসামগ্রী সংগ্রহ ও বিক্রি করতে পারবে।

Comment using Facebook