জামাতে নামাজ পড়ার বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা

0
45

ধর্ম ও জীবন

ফরজ নামাজ জামাতে পড়ার জন্য অপেক্ষা করা, ফরজ নামাজ জামাতে পড়া এবং নামাজের পর মসজিদে অবস্থান করার ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশি। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে গিয়ে জামাতের জন্য অপেক্ষা করার এবং জামাতে নামাজ পড়ার পর ওই স্থানে বসে অপেক্ষা করার বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করেছেন।

কী সেই বিশেষ ফজিলত?

জামাতে নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার প্রতি কদমে কদমে মর্যাদা বৃদ্ধি এবং গুনাহ মাফ হয়। জামাতের জন্য অপেক্ষার সময়টি নামাজে রত থাকার সওয়াব হয় আবার জামাতের পর ওই স্থানে বসে থাকলে ফেরেশতারা তার অনুগ্রহ, ক্ষমা ও তাওবাহ কবুলের জন্য দোয়া করতে থাকেন।

হাদিসে পাকে বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে। তাহলো-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি মসজিদে জামাতের নামাজ আদায় করলে তা তার বাড়ি বা বাজারে নামাজ আদায় করার চেয়ে ২০ গুণেরও অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। কারণ কোনো লোক যখন নামাজের জন্য অজু করে এবং ভালোভাবে অজু করে মসজিদে আসে তখন তাকে নামাজ ছাড়া আর কিছুই মসজিদে আনে না। আর সে নামাজ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যও পোষণ করে না।

১. সুতরাং এ উদ্দেশে সে যখনই (মসজিদের উদ্দেশে) কদম (পদক্ষেপ) বাড়ায় তখন থেকে মসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার প্রতিটি কদমে কদমে ওই ব্যক্তির মর্যাদা বাড়ানো হয় এবং একটি করে পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

২. এরপর মসজিদে প্রবেশ করার পর যতক্ষণ সে নামাজের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ যেন সে নামাজরতই থাকে।

৩. আর তোমাদের কেউ যখন নামাজ আদায় করার পর নামাজের স্থানেই বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়েকাহ (ফেরেশতাগণ) তার জন্য এ বলে দোয়া করতে থাকে যে-‘হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি অনুগ্রহ দান করো। হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি তার তওবা কবুল করো।

এরূপ দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত করতে থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত অজু নষ্ট না হয়।’ (মুসলিম)

Comment using Facebook