অভয়নগরে সাব রেজিষ্টারসহ ৮ জনকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

0
22


অভয়নগরে সাব রেজিষ্টারসহ ৮ জনকে জড়িয়ে যে মিথ্যা তথ্য সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। সে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই। আমি শাহিন হোসেন পেশায় একজন দলিল লেখক। আমি ও সাব রেজিষ্টারসহ ৮ জনকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্ত মূলক সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সড়যন্ত্র করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার দৈনিক নওয়াপাড়া, যশোর থেকে প্রকাশিত প্রতিদিনের কথা, স্পন্দন, দৈনিক যশোর পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে, ১৯/৯/২২ তারিখে যশোর জেলার শার্শা থানার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ৮৫৭৫, ৮৫৭৬, ৮৫৭৭, ৮৫৭৮, নম্বর দাগে রেজিস্ট্রিকৃত স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করা দলিল মারফাত ভারতে বসবাসকারী মমতাজ বেগম ওরফে মমতাজ খাতুন। যাহার জন্ম তারিখ ২৫/২/১৯৬৪ সাল। তাহার এনআইডি নং ১৯৬৪৪১২১৬০৪২৭৩২৭৯। তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। মমতাজ বেগম শার্শা থানার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে নিজ হাজির হয়ে ১৯/৯/২২ তারিখে মো. হাফিজুর রহমান এর বরাবর ৩টা দলিলে ৩০৭ শতক জমির স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। এবং একই তারিখে অপর স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল মারফাত ১০০শতক জমি স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি প্রদান করেন। যাহার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা আছে। বাংলাদেশের নাগরিক ওই মমতাজ বেগম ওরফে মমতাজ খাতুন। তিনি ১৭ ই সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে বাংলাদেশে প্রবেশ করে উপরোক্ত দলিল গুলো শার্শা থানার সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জু দাস এর অফিসে মমতাজ বেগম নিজে উপস্থিত হইয়া দলিল সম্প্রদানসহ সকল কার্যক্রম সমপন্ন করিয়া কয়েক দিন এলাকায় থেকে আবার ভারতে চলে যান। পরবর্তীতে স্পেশাল পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল গ্রহীতা রাজঘাট নিবাশী মো. হাফিজুর রহমান, পিতা- মৃত দবির উদ্দিন শেখ। উক্ত ক্ষমতা বলে ১৯ শে সেপ্টেম্বর তারিখে তিনি নওয়াপাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিসে হাজির হইয়া মমতাজ বেগমের পক্ষে স্বাক্ষর ও টিপ সহি করিয়া দলিল সমপন্ন করিয়া নেন। এমতাবস্থায় অভিযোগে বলা হয়েছে, আমজাদ হোসেন ও তার ভাইয়েরো সহ ১৪/১২/২০১৬ তারিখে মহকাল মৌজার ১৬৮৫ দাগের ২৮ শতক জমি তার নামে দেখিয়েছেন। সে জমি আদেও আমজাদের নয়। ওই স্থানে তার কোন সম্পত্তি নাই। তার দলিল ও কোন নথি পত্র সাব রেজিস্ট্রার অফিসে দেখাতে পারেনি। ওয়াজ করিম সরদার ১২৮৪ দাগে ৫৪ শতক জমি ১৪/১২/১৬ তারিখে নওয়াপাড়া সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে ৬১৭৫ নং দলিলে ৬৪ শতক জমির দলিল দেখান। সেখানে দেখা যায়, দলিল দাতা মমতাজ বেগমের জন্ম, ৫/৬/১৯৬৫ তারিখ দেখানো হয়েছে। এবং জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর ৪১২০৪০১৭০৩১০২ ও দেখানো হয়েছে। এবং এ জমির দাতা মমতাজকে ব কলম ও লেখাপড়া জানে না বলা হয়েছে। বিষয়টা পরিষ্কার ওই দাগের সম্পত্তি ভুয়া। যাহার এনআইডি ও জন্ম তারিখ ও টিপ সহি সব ভুয়া। ওয়াজ করিম সরদার তিনি উদ্দেশ্য প্রনীত দলিল খানা তৈরি করেছেন। এই একই তারিখে ফজলুর রহমান সরদার পিতা মৃত ফকির আহমেদ সরদার, ১৩৯১ দাগে ৫৪ শতক জমির দলিল দেখিয়েছেন। ওই জমিটা ভুয়া। তারা জাল দলিল এনআইডি কার্ড করে উদ্দেশ্য প্রনীত কাজ করেছে। দলিলে ৬১৭৬ নং দাগে করা হয়েছে যাহা সমপূর্ন ভুয়া দলিল। আর আমাকেসহ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের ৮ জনকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এবং এ বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এনে যথাযত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Comment using Facebook