বাফুফের নতুন সিদ্ধান্ত: কিংস এরেনাসহ ৬ ভেন্যুতে লিগ

0
121

ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ মাঠে গড়িয়েছিল ভেন্যু বিতর্ক নিয়ে। শেষ মুহূর্তে বসুন্ধরা কিংসের মাঠ কিংস এরেনা বাদ দিয়ে মাত্র দুটি ভেন্যুতে লিগ শুরু হয়েছিল গত ৩ ফেব্রুয়ারি।

দুই রাউন্ড শেষ হওয়ার পর আবার ভেন্যু নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত। লিগের তৃতীয় রাউন্ড পর্যন্ত দুই ভেন্যু টঙ্গী ও মুন্সিগঞ্জে খেলা হবে। চতুর্থ রাউন্ড থেকে খেলা হবে ৬ ভেন্যুতে। বাফুফের প্রফেশনাল লিগ কমিটি শুক্রবার জরুরি সভায় বসে ভেন্যু নতুন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাফুফে প্রথম যখন ৭ ভেন্যুতে খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার মধ্যে ছিল টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম। ভেন্যু কমে দুটি হওয়ার পর টঙ্গী আর মুন্সিগঞ্জে শুরু হয় খেলা।

টঙ্গীর ভেন্যু নিয়ে তুমুল সমালোচনার মধ্যে পড়ে বাফুফে। কারণ ভেন্যুটি ব্যবহার করছিল আরচারি। রোমান সানা-দিয়া সিদ্দিকীদের অনুশীলনে ব্যাঘাত ঘটিয়ে সেখানে ফুটবল চালানোয় মাঠের মালিক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পরই বাফুফে জরুরি সভা করে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাফুফে এখন টঙ্গীকে ভেন্যু তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তৃতীয় রাউন্ড হওয়ার পর সেখানে আর ম্যাচ থাকছে না। এখন খেলা হবে সিলেট, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ ও বসুন্ধরা কিংস এরেনায়। ৬টি স্টেডিয়ামকে দুটি করে ক্লাবের হোমভেন্যু করা হয়েছে। সিলেট স্টেডিয়াম আবাহনী ও রহমতগঞ্জের হোম ভেন্যু, কুমিল্লা স্টেডিয়াম মোহামেডান ও চট্টগ্রাম আবাহনীর হোম ভেন্যু, বসুন্ধরা কিংস এরেনা বসুন্ধরা কিংস ও শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের হোম ভেন্যু, গোপালগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ও উত্তর বারিধারার হোম ভেন্যু, রাজশাহী বাংলাদেশ পুলিশ এসসি ও স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘের হোম ভেন্যু, মুন্সিগঞ্জ শেখ জামাল ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের হোম ভেন্যু হিসেবে থাকছে।

সভা শেষে বাফুফের প্রফেশনাল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘শনিবার থেকে তিন দিন চলবে টঙ্গী ও মুন্সিগঞ্জে চলবে তৃতীয় রাউন্ডের খেলা। চতুর্থ রাউন্ড থেকে ঘোষিত ৬ ভেন্যুতে খেলা হবে। মাঠগুলো অতীতের মতো ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানেই থাকবে।’ ভেন্যু নিয়ে কয়েকদিন পরপরই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে বাফুফে। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে সালাম মুর্শেদী বলেছেন, ‘এটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। কারণ আমরা কঠিন সময়ের মধ্যে লিগ শুরু করেছি। করোনার কারণেই কিন্তু আমরা ভেন্যু কমিয়ে মাত্র দুটিতে খেলা শুরু করেছি। এখন আক্রান্তের হার বেশ কমে এসেছে।’ কুমিল্লায় স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হচ্ছে। তাহলে সেখানে কবে নাগাদ লিগ শুরু হতে পারে? বাফুফের সিনিয়র সহ সভাপতির জবাব, ‘১৬ ফেব্রুয়ারি ওখানে ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ। কুমিল্লার খেলাটা সবচেয়ে দেরিতে ফেলবো। যাতে করে ২৫ তারিখের পরে সেখানে খেলা চালু করা যায়। তার মধ্যে মাঠটা পরিচর্যা করতে হবে। কুমিল্লার মাঠে ক্রিকেট ২৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। খেলা পেছাতে পেছাতে এখনও শেষ হয়নি।’

Comment using Facebook