মোরেলগঞ্জে ঝুকিপূর্ণ ভবনে সরকারি বরাদ্দের শতশত মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য

0
78

শেখ আনিছুর রহমান, বাগেরহাট

মোরেলগঞ্জ উপজেলা সরকারী খাদ্যগুদামের ভবন দুটি কয়েক বছর ধরে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

ছাদ থেকে পানি পড়ছে। দেয়ালের পলেস্তারাও খসে পড়ছে। এমন অবস্থার মধ্যেই ভবন দুটিতে মজুদ করা হচ্ছে এ উপজেলার জন্য সরকারি বরাদ্দের শতশত মেট্রিক টন ধান ও চাল। এখানে বছরে প্রায় ৭ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য মজুদ করা হয়। বর্ষা মৌসুমে ভবনের মধ্যে থাকা ধান, চাল পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়।

নৌপথে কার্গো থেকে চাল ওঠানামা করানোর জন্য খাদ্যগুদামের সামনের একমাত্র খালটি ভরসা হলেও তা পলি পড়ে ভরে গেছে। নিরাপত্তা দেয়ালও ভেঙ্গে পড়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে।

জানা যায়, এ উপজেলার জন্য সরকারি বরাদ্দের চাল মজুদ ও ধান ক্রয়ের জন্য ১৯৮০ সালে বিষখালী খালের পাড়ে সানকিভাঙ্গা এলাকায় এক হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার দুটি ভবন নির্মাণ করা হয়। টানা ৪০ বছর ধরে ওই ভবন দুটিতে প্রতি বছর প্রায় ৭ হাজার মেট্রিকটন ধান ও চাল মজুদ রাখা হয়।

খাদ্যগুদামটিতে যাতায়াতের জন্য সরকারিভাবে কোন রাস্তা নেই। ফলে বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের চাল নিতে চেয়ারম্যানদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়। ভবনের সামনের খালটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় নৌপথে যাতায়াতের ব্যবস্থাও বন্ধ প্রায়।

এ বিষয়ে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, গুদামের সামনের খালটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় জাহাজ ঘাটে পৌছাতে পারেনা। অপরদিকে সড়ক পথে শষ্য সরবরাহের কোন পথও নেই দীর্ঘদিন। বর্ষা মৌসুমে ভবনের ভিতরে পানি পড়ে। পলিথিন দিয়ে ধান, চাল ঢেকে রাখতে হয়। মূল ফটকে রাস্তার জন্য জমি ক্রয়, বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ, মাল উত্তোলনের জেটি ঘাটের খাল খননের জন্য ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

এ সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা সম্প্রতি খাদ্যগুদাম এলাকা পরিদর্শন করেছেন। চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যে গুদামে প্রবেশের মূল সড়কটি নির্মান করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Comment using Facebook