কেশবপুরে বাহারি পান বিক্রি করে স্বাবলম্বী কালাম

0
66

আজিজুর রহমান, কেশবপুর

কেশবপুরে ২০ রকমের বাহারি পান বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয়েছেন আবুল কালাম। তিনি উপজেলার পৌর ৫ নং ওয়ার্ডের আলতাপোল গ্রামের মোকাম আলী সরকারের ছেলে। ১২ বছর আগে তিনি ফেরী করে উপজেলা সহ বিভিন্ন উপজেলায় পান বিক্রি করতেন। এর পর তিনি চা বিক্রি করতেন।

চায়ের দোকানের কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিতে যখন বাইরে যেতেন; তখন তার চায়ের দোকানের একটি পাশের ছোট দোকানে মিষ্টি পান খেতে যেতেন। সেই দোকানে পান খাওয়া থেকেই বাজারে এমন পানের দোকান করার ইচ্ছা জাগে। তখন তিনি চা দোকান বাদ দিয়ে কেশবপুর থানার পুরানো গেটের পূর্ব পাশে হাজী মকছেদ আলী সড়কে পানের দোকান খুলে বসেন ২০ ধরনের বাহারি পানের দোকান। তার হাতের নানা ধরনের পান হয়ে ওঠে জনপ্রিয়।

এ সুস্বাদু পানের স্বাদ নিতে ছুটে আসেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পানপিপাসু ছাড়াও পার্শ্ববর্তী তালা, পাটকেলঘাটা কলারোয়া, ডুমুরিয়া, যশোর, মনিরামপুর, চুকনগর, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার উপজেলার মানুষ। এমনকি ঢাকার রাজধানী থেকে কেউ ঘুরতে এলে ছুটে আসেন আবুল কালামের বাহারি পানের দোকানে।

মিষ্টি পান খেয়ে সাথে করেও নিয়ে যান ৫-১০টি পানের খিলি। এ পান বিক্রি করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে জানা যায়, ছোট একটি দোকানে পানের বাহারি মসলা। ২০ রকমের পান সাজিয়ে মিষ্টি পান তৈরিতে ব্যস্ত দোকানদার। সেখানে ১০-১২ জন লোক ভিড় করে আছেন।

কথা বলার সুযোগ নেই দোকানদারের। একের পর এক পানপিপাসুরা আসছেন পান খেতে। অনেক সময় লাইন দিয়ে পান কিনতে হয়। কালাম পান ভান্ডারে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকা পর্যন্ত দামের পান পাওয়া যায়। আমার হাতের পান খেতে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভাসহ আশেপাশের কয়েক জেলা ও উপজেলার মানুষ প্রতিদিন আসে।’ তিনি বলেন সংসারের স্ত্রী, ৩টি কন্যা সন্তান ও পিতা মাতা আছে। এই পান বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছেন।

Comment using Facebook