মুশফিক-সৌম্যর ঝড়ে খুলনার বিশাল সংগ্রহ

0
52

ক্রীড়া ডেস্ক

দিনের প্রথম ম্যাচে অধিনায়কোচিত পারফরম্যান্সে ফরচুন বরিশালকে টেবিলের শীর্ষে বসিয়েছিলেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। পরের ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকেও এলো সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া ইনিংস।

সঙ্গে ঝড় তুলেছেন বাঁ-হাতি ওপেনার সৌম্য সরকারও। এ দুই তারকা ব্যাটারের ঝড়ো ইনিংসের সুবাদে স্বাগতিক সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে খুলনা টাগার্স। নিজেদের ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় পেতে ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জ জিততে হবে সিলেটকে।

সৌম্য খেলেছেন ৬২ বলে ৮২ রানের ইনিংস, মুশফিকের সংগ্রহ ৩৮ বলে ৬২ রান। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে টসের আগমুহূর্তে অধিনায়ক বদলেছে স্বাগতিক দলটি। টস জিতে খুলনাকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান নতুন অধিনায়ক রবি বোপারা।

কিন্তু তার সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করতে পারেনি বোলাররা। তিনি নিজেও অধিনায়কত্বে মুন্সিয়ানা দেখাতে পারেননি। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সৌম্যর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউটে কাটা পড়েন আন্দ্রে ফ্লেচার। পরের বলেই স্লিপে ধরা পড়েন শেখ মেহেদি হাসান। মাত্র ১ রানেই ২ উইকেট তুলে নিয়ে দারুণ শুরুর আভাস দিয়েছিল সিলেট। তৃতীয় উইকেটে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন ইয়াসির আলি রাব্বি ও সৌম্য। এ দু’জন মিলে যোগ করেন ৪৫ রান। পাওয়ার প্লে’র শেষ বলে ব্যক্তিগত ২৩ রানে অভিষিক্ত একেএস স্বাধীনের প্রথম শিকারে পরিণত হন ইয়াসির। এরপর আর উইকেটের দেখা পায়নি সিলেট।

অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৩৬ রান যোগ করেছেন সৌম্য ও মুশফিক। এর মাঝে ইনিংসের নবম ওভারে বল টেম্পারিং করেন সিলেট অধিনায়ক বোপারা। হাতের নখ দিয়ে বলের আকৃতি পরিবর্তনের চেষ্টা করায় ম্যাচের বল পরিবর্তনসহ সিলেটকে ৫ রান পেনাল্টি করা হয়। অর্থাৎ স্কোরবোর্ডে ফ্রি ৫টি রান পায় খুলনা।

তবে ফ্রি রান ছাড়াও মুশফিক-সৌম্য মিলে ঠিকই তোলেন ঝড়। কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে নিজের ষষ্ঠ ফিফটিতে চারটি করে চার ও ছয়ের মারে ৬২ বলে ৮২ রান করেন সৌম্য। খুলনার অধিনায়ক মুশফিক তার ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটিতে ছয় চার ও দুই ছয়ের মারে করেন ৩৮ বলে ৬২ রান।

Comment using Facebook