আজ শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২০ ইং বিকাল ৩:৪০

add

বিশ্ব মা দিবস- তোমরা ভালো থেকো, মা

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: মে ৯, ২০২০ সময় : ২৩:১৭:৩৪

বিশ্ব মা দিবস। মাকে নিয়ে লেখার সাহস আমার নেই। নেই কোন ভাষাজ্ঞানও। তবুও মাকে নিয়ে কিছু লিখবো ভাবতেই এক অন্যরকম শিহরণ যেনো আমাকে পেয়ে বসেছে। লেখার শুরুতেই মনে পড়ে গেলো আমার সংগৃহিত ‘মা’কে নিয়ে একটি বিশেষ লেখার কথা। তাই শুরুতেই সেই অংশটি তুলে ধরলাম।

 

“তোমার শরীরের রক্ত গায়ে মেখেছি মা গো, তোমার শরীর থেকে রক্ত খেয়েছি, আমাকে ঘিরে শুরু হয়েছিলো তোমার নতুন পৃথিবী, তখনও আমি দুনিয়ার নকল আলো দেখিনি যখন ১০ মাস ১০ দিন ছিলাম তোমার ভেতর, তারপর তুমি দেখালে নকল ভালবাসার পৃথিবী, তোমার চোখ দিয়ে দেখলাম নতুন মিথ্যা পৃথিবী, মিথ্যা প্রতিশ্রুত দিয়ে বললে এখানে এই আলোয় আমি ভালো থাকবো; কেন মা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিলে?

 

 

এই নকল আলোর মিথ্যা ভালোবাসার পৃথিবীর চেয়ে যে তোমার ভেতরের অন্ধকারের আলোয় ডুবে থেকে ভালো ছিলাম, কেন আমাকে তোমার শরীরের বাইরে আনলে? মা তুমি এত খারাপ কেন? মনে আছে মা আমার সাথে তুমি একলা একলা কথা বলতে যখন আমি তোমার ভেতর ছিলাম? আমি তখনও জানি না কথা কিভাবে বলতে হয়, তাই তুমি একাই বকবক করতে, সবাই ভাবতো তুমি বুঝি পাগল হয়ে গেছো;

 

 

তারপর জীবনের প্রথম শব্দ মুখ দিয়ে উচ্চারন করলাম “মা” বলে, আজ যখন তোমাকে তুলে অন্যকে গালি দেই তুমি কি মনে কষ্ট পাও না মা? মা তুমি এত নির্লিপ্ত কেন? ছোটকালে তুমিই শিখিয়েছিলে অ,আ,ক,খ, আজ তোমাকে আমি অ,আ,ক,খ শিখিয়ে নেশার টাকা আদায় করি, মা তুমি এত অশিক্ষিত কেন?

 

 

মনে আছে একদিন স্কুল থেকে দেরী করে ফিরেছিলাম? তুমি খুব চিন্তিত ছিলে পাছে আমার কোনো অঘটন না ঘটে, আমার মনে আছে সেদিন তুমি আমাকে বেদম মার মারলে, খুব একটা ব্যাথা পাইনি, কিন্তু আজ যখন তোমাকে নেশার টাকা না পেলে মার দেই, চুল টেনে ছিড়িঁ, তোমাকে রক্তাক্ত করি তখন কি তোমার ব্যাথা লাগে না মা?

 

 

মা তুমি এত অনুভূতিহীন কেন? তোমার মনে আছে যখন স্কুলে যেতাম তখন আমার পা ব্যাথা হয়ে যাবে বলে তুমি আমাকে অতদূর পথ কোলে করে নিয়ে যেতে? আজ যখন বাসে-গাড়িতে তোমার জন্য বরাদ্দ করে রাখা সিটে আমি পায়ের উপর পা তুলে বসে থাকি আর তুমি আমার পাশেই দাড়িয়ে অন্যলোকের গা থেকে তোমার শরীর বাচাঁতে ব্যস্ত, তখন কি তোমার পা ব্যাথা হয় না? মা তুমি এত বেখেয়ালী কেন?

 

 

মনে আছে মা তোমার কাছে যা চাইতাম তুমি আমার সব আব্দার মেটাতে, ঈদে আমার শার্ট, প্যান্ট, জুতা সব-ই হতো, আর তোমার পরনে সেই ছেড়াঁ ব্ল¬াউজ আর রংচটা শাড়ি, আজ যখন তোমাকে নতুন একটা শাড়ি কিনে না দিয়ে বউয়ের জন্য, শালির জন্য, শাশুরির জন্য কাপড় কিনি, তখন কি তুমি মুখ ফুটে চাইতে পারো না একটা শাড়ি? মা তুমি এত আনস্মার্ট কেন? আর যখন নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে সব বিক্রী করে শেষে তোমার সেই ছেড়াঁ রংচটা শাড়ি খুলে নেবার জন্য তোমার শরীরে হাত দেই, তখন কি তোমার কোনো লজ্জা হয় না?

 

 

মা তুমি এত নির্লজ্জ কেন? যখন তোমার সাথে দুর্ব্যবহার করে খারাপ ভাষায় তোমার মাকে তুলে তোমাকে গালি দেই, তার পর মুহূর্তেই আবার ভাত বেড়ে মুখে তুলে খাইয়ে দাও কেন? মা তুমি এত বেহায়া কেন? মা তোমার মনে আছে আমাকে ছোটবেলায় যখন সাবান দিয়ে গোসল করাতে তখন সাবানে আমার চোখের চামড়া খুব জ্বলতো? তারপর আমাকে সুন্দর কাপড় পরিয়ে বাবুদের মত সাজিয়ে রাখতে, আজ আমি তার প্রতিদান হিসেবে যখন এসিড দিয়ে তোমার মায়াবী মুখখানি ঝলসিয়ে দেই তখন কি তোমার শরীরের চামড়া খুব বেশী জ্বলে?

 

 

মা তুমি এত কুৎসিত কেন? তোমার শরীরের যে রক্ত জন্মের আগে গায়ে মেখেছিলাম, আজ নেশার টাকার জন্য তোমাকে মেরে যখন আমার হাত সেই রক্ত মেখে রাঙ্গাই, তখন আমাকে কেন তোমার পেটের ভেতরের অন্ধকারের মত অন্ধকার জায়গা কবরে ফেরত পাঠাবার জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করো না? কেন আমার দীর্ঘায়ুর জন্য জায়নামাজে বসে কান্নাকাটি করো? মা তুমি এত খারাপ কেন?

 

 

কেন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বললে এখানে এই মরীচিকা আলোয় আমি ভালো থাকবো; কেন মা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিলে? এই নকল আলোর মিথ্যা ভালোবাসার পৃথিবীর চেয়ে যে তোমার ভেতরের অন্ধকারের আলোয় ডুবে থেকে ভালো ছিলাম, কেন আমাকে তোমার শরীরের বাইরে আনলে? মা তুমি এত খারাপ কেন?

 

 

তুমি যদি তোমার ঐ ছোট্ট গর্ভে আমাকে মাসের পর মাস লালন না করতে তাহলে আমি আজ এই পৃথিবীর মুখ দেখতে পেতাম না। মা! তুমি আমার মা! আমার জননী! মমতায় ঘিরে আদরে আদরে আমাকে তুমি একটু একটু করে বড় করে তুলেছো। পরম আদরে দিয়েছ বটবৃক্ষের মত ছায়া তোমারই আঁচলে।

 

 

তোমার ভালবাসার মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, যাবেও না। ” মা, মাগো তোমরা ভালো থেকো। সব সময় সর্বদা তোমাদের মঙ্গল হোক। পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি আজ বিশ্ব মা দিবসে এই হোক আমাদের প্রার্থনা। কিন্তু বাস্তবতায় চোখ দিলেই চোখ ঠিউরে ওঠে। আসলে বৃদ্ধ মাকে কতটুকু সম্মান করি আমরা ?

 

 

সেদিন পত্রিকায় দেখলাম … একজন মা ফুটপাথে ভাত বিক্রি করছে, অথচ তার সন্তান জিপিওতে চাকরি করে। হায়রে অভাগা মা এ জন্যই বুঝি ১০ মাস ১০ দিন এ সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন? আরো আছে একজন মা, চাকরি করেন, সংসারের বোঝা টানছেন দীর্ঘকাল। তার ছেলে মদ খায়, মার গায়ে হাত তোলে। মা বেতন নিয়ে বাসায় এলে ছেলে টাকা নিয়ে নেয়। সেই মা কত দুঃখে আছেন। সন্তান যদি মায়ের দুঃখ না বোঝে তাহলে সেই মায়ের দুঃখ চিরকাল।

 

 

আরো অনেক মা আছেন যারা প্রতিনিয়ত দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন সন্তানকে মানুষ করেও। কারণ সন্তান এখন এতই ব্যস্ত, মায়ের খবর নেয়ার সময় হয় না তাদের। বছরে একবারও মাকে দেখতে আসার ইচ্ছা হয় না। মা একাকী একটি বাড়িতে বাস করেন আর প্রতিদিন সন্তানের মঙ্গল কামনা করে চোখের জল ফেলেন। কারণ মা-ই পৃথিবীতে একমাত্র ব্যক্তি যে নিঃশর্ত ভালোবাসা দিয়েই যায় তার সন্তানকে কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়া।

 

 

যে মা ১০ মাস ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন সেই মায়ের প্রতি আমরা কতটুকু যত্নশীল? আমরা কখনো কি চিন্তা করি এই-ই আমার মা। আমি যখন ছোট ছিলাম কোনো কিছু করার শক্তি ছিল না, মা-ই আমাকে প্রতিদিন প্রতিটি ক্ষণ কোলে করে আগলে রেখেছেন পরম মমতায়। পরম যত্নে আমাকে খাইয়ে দিয়েছেন। বিছানায় ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছেন হয়তো বা ঘুম পাড়ানি গান শুনিয়ে।

 

 

আজ সেই মা অসহায় অবস্থায় বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। আজ সেই মা অসহায় অবস্থায় বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। আমরা অনেক সময় অবজ্ঞা করি : যেমন মা কোনো কাজ করতে বললেন, সন্তানেরা পারবে না বলে জবাব দিয়ে দেয়। মা বাজার করতে যাচ্ছে অথচ সন্তান ইচ্ছা করলেই বাজার করে দিতে পারে।

 

 

মা ফোনের বিল দিয়ে আসছে আর সন্তান ঘরে বসে কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত। কেন এরকম হবে? আগে মাকে সাহায্য করতে হবে তারপর অন্য কাজ।মা শুধু মা-ই নয়, একজন নারী একটি পরিবারের কর্ণধার। মা সংসার, সন্তানকে আগলে রাখেন। যিনি শত বিপদে ধৈর্য ধরে সবকিছু সামলে নেন। সেই মমতাময়ী মাকে আমরা কতটুকু গুরুত্ব দিই? মার সঙ্গে তর্ক করি।

 

 

মায়ের কথা শুনি না। আর মা দিবসে মাকে ছোট্ট একটা গিফট দেয়ার কথাও চিন্তা করি না। অথচ যে কোনো ফাস্টফুডের দোকানে গিয়ে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে হইহই করে ৫০০ টাকার নাশতার বিল দিতে পারি কিন্তু মার জন্য একটি গিফট কিনতে পারি না। আমাদের সচেতন হতে হবে। মায়ের গুরুত্ব বুঝতে হবে। সংসারে যার মা নেই সেই বোঝে মায়ের গুরুত্ব কতখানি। মাকে যথাযথ সম্মান দিতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টে শুনানি : জারি হবে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানোর নির্দেশনা
অভয়নগরে ১৩ বছরের শিশুর করোনা জয়ে ডা. রিজভীর আবেগঘন স্ট্যাটাস
করোনায় শনাক্ত ছাড়াল ৬০ হাজার : মৃত্যু ছাড়াল ৮শ’
নড়াইলে ইটবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
কুয়েটে ১৬ জুন থেকে শুরু হচ্ছে অনলাইন ক্লাস
অভয়নগরে ১শ’ ৫০ পিচ ইয়াবাসহ দুইজন আটক : থানায় মামলা
আপত্তি নেই নওয়াপাড়ার মেয়ে চিত্রনায়িকা আইরিন‘র
স্টেডিয়ামে মুশফিককে অনুশীলনের অনুমতি দেয়নি বিসিবি
মুশফিকের জায়গায় থাকলে যা করতেন হার্দিক পান্ডিয়া
ভারতে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু
বর্ষার আগে চলমান সড়ক সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশ কাদেরের
যশোর জেলায় মোট করোনা শনাক্ত ১১৪ জন
বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দেশে অবনতি হচ্ছে – রিজভী
করোনা থেকে রক্ষায় প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি – প্রধানমন্ত্রী
রূপসায় বাসচাপায় যুবক নিহত
খুলনায় একদিনে রেকর্ড শনাক্ত : পরিস্থিতি আরও অবনতির শঙ্কা
জুন থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই হবে – রুবানা হক
মেহেরপুরে গলায় ছুরি ধরে বাউল নারীকে গণধর্ষণ
বজ্রপাতে ৯ জেলায় ১৭ জনের মৃত্যু
শেখ হাসিনা করোনা লড়াইয়ের প্রত্যয় – রনজিত কুমার রায়
নওয়াপাড়ায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালিত
অভয়নগরে স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন আক্রান্ত তিনজন
‘গোয়াল ঘর আপনার গরু আমাদের’ লিখে গরু চুরি : গণপিটুনিতে নিহত তিন : আটক এক
যশোরের ৬টির মধ্যে ৪টিতে আসছেন বর্তমান এমপি
অভিযোগ বাক্স ঝুঁলিয়েছেন এমপি তন্ময় : আতংকে মাদক সিন্ডিকেট
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির লক্ষে বিশেষ দোয়া ও লিফলেট বিতরণ করলেন- নওয়াপাড়ার গদ্দীনশীন পীর
সিপাই থেকে ওসি হয়ে শতকোটি টাকার পাহাড়! দুদকে অভিযোগ
কোথাও ঠাঁই নেই : কবরস্থানে মা- ছেলের বসবাস
নওয়াপাড়ার ধোপাদী গ্রামে ৩ ইভটিজারকে গণধোলাই
যশোরের নতুন পুলিশ সুপার হলেন আশরাফ হোসেন
লোহাগড়া হাসপাতাল থেকে ডেঙ্গু রোগীকে বের করে দিয়েছেন সেবিকা কল্পনা ও সাধনা!
বাঘারপাড়ায় ধর্ষণের পর হত্যা করে জয়নবের লাশ ঘেরে ফেলেছে হাফেজ মুজিবুল
নিষিদ্ধ ঘোষিত এনার্জি ড্রিংক্স
যশোর শিক্ষাবোর্ডের সাড়ে ২৯ লাখ টাকা অপচয় বন্ধ করে দিলেন ড. মোল্লা আমীর হোসেন
রাজগঞ্জে কাজীকে ৬ মাসের জেল, মেয়ের পিতা চাচা ও স্বামীকে জরিমানা
নওয়াপাড়ায় মাছ বাজারে ১ কেজি বাটখারার ওজন ৮শ’ গ্রাম :
পথ দেখালো মডেল স্কুল :অনুসরণ করলো আল হেলাল: নওয়াপাড়ায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আবারও সংঘর্ষ : নদী সাঁতরে প্রাণ রক্ষার চেষ্টা
অভয়নগরে এই প্রথম করোনা রোগী শণাক্ত
 চোখের জল ফেলবেন নওয়াপাড়া শংকরপাশা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী সরোয়ার!
নওয়াপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্যানেল মেয়র রবিন অধিকারী ব্যাচাসহ ৪ জন আহত
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি ও গাড়িয়াল পেশা বিলুপ্তপ্রায়
এমপি কাজী নাবিল আহমেদের হাতের ছোঁয়ায় চাঁচড়া ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন

ই-পত্রিকা-কাগজে যেমন অনলাইনে তেমন

ePaper

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
প্রয়োজনীয় নাম্বার

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা : ০১৭১৭৮১৩৩৪৪

নওয়াপাড়া রেলওয়ে মাষ্টার : ০১৭১৮৫৮১০৯৪

হাইওয়ে থানা ওসি : ০১৭৬৯৬৯০৪৫৯

UNO অভয়নগর : ০১৭৩৩০৭৪০৩৫

অভয়নগর থানা : ০১৭১৩ ৩৭৪১৬৭

ফায়ার সার্ভিস : ০১৭৩২ ৫৫০৪৬০

জাতীয় জরুরী সেবা : ৯৯৯

মতামত এর আরও খবর

//